(880)-2-9111260

Blog

‘সুরক্ষিত পরিবেশ, সুরক্ষিত মানুষ’

বর্তমান সময়ে সমাজ উন্নয়ন আর একক কোনো ভাবনা নয়, প্রকৃতি সংরক্ষণের বিষয়টি তার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই মানুষের জীবনমানের উন্নয়নের সাথে সাথে নিশ্চিত করতে হবে প্রকৃতির সুরক্ষা। সেই সাথে, সময়ের আবর্তে গড়ে ওঠা মানব সভ্যতাগুলো সম্পর্কে জানতে আমাদের ঐতিহ্য সমূহকেও রক্ষা করতে হবে।  প্রকৃতি ও ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়েই বেছে নিতে হবে মানব উন্নয়নের টেকসই পথ। তাই পরিবেশ সুরক্ষায় ‘Nature and Environment Preservation Organization’ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

পরিবেশ রক্ষায় ১৬% ভাগ বন থাকার কথা থাকলেও দ্রুত বন ধ্বংসের কারণে এই অনুপাত নগণ্য পর্যায়ে গিয়ে পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এই বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেতে সঙ্গগঠনটি পরিবেশ এবং প্রকৃতি সংরক্ষণে হাতে নিয়েছে বেশ কিছু কার্যক্রম। গাছ প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। অথচ আমরা কোন কারণ ছাড়াই বৃক্ষ নিধন করি। গাছ মানুষের সবচেয়ে কাছের বন্ধু, কিন্তু যেকোন সামাজিক এবং রাজনৈতিক সংকটে আমরা গাছকে ব্যবহার করি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে। সংগঠনটি গাছের প্রতি মানুষ যাতে এই নিষ্ঠুর আচরণ না করে এ জন্য সবার সচেতনতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের যেকোন কার্যক্রম হওয়া উচিত পরিবেশ বান্ধব। তাই পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সংগঠন পুরাতন রাস্তাঘাট উন্নয়ন এবং এর সাথে সঙ্গতি রেখে ব্রিজ নির্মাণ করছে। আর এসব কাজ করা হচ্ছে পিছিয়ে পরা সমাজের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য। পাখি পরিবেশের অন্যতম উপাদান। কিন্তু পরিবেশ ধ্বংসের কারণের পাখি এবং পাখির বাসস্থান বিপন্ন প্রায়। একই সাথে আমরা বিভিন্ন কারণে পাখি শিকার করি। সংগঠনটি পাখি সংরক্ষণ এবং পাখি নিধন রোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ এবং রাস্তাঘাট রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি সংগঠনটি বিভিন্ন রকম সামাজিক কর্মকান্ড করে থাকে। এসবের মধ্যে পাঠাগার নির্মাণ, নৈশ বিদ্যালয় পরিচালনা, যৌতুক প্রথা রোধ, দুস্থ এবং অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ উল্ল্যেখযোগ্য। প্রকৃতি এবং পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সামাজিক কর্মকান্ডের স্বীকৃতি স্বরূপ সংগঠনটি ২০১০ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে পরিবেশ পদক লাভ করে।

সংকটাপন্ন উদ্ভিদ আহরণ, বন্যপ্রাণী শিকার অথবা প্রকৃতি ও পরিবেশর জন্য ক্ষতিকর এমন কাজের সাথে জড়িতদের এই কাজ থেকে নিবৃত্ত করা এবং প্রয়োজনে তাদের বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কাজের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং আর্থিক সহায়তা দেওয়া। সর্বোপরি সরকারের সাহায্য ও সহযোগিতা পেলে এ সংগঠন সামাজিক উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে সরকারের উন্নয়নে সহযোগিতা করবে।